পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন হোটেলে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:২২ | আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:৩৫

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

রাজশাহী নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন আবাসিক হোটেল যমুনায় এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। রোববার রাতে হোটেল যমুনার কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর থেকে ওই হোটেলটি বন্ধ। হোটেলের মালিককেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশের নাকের ডগায় এমন ঘটনায় নগরজুড়ে চলছে সমালোচনা।   

নির্যাতিত কিশোরীর বাড়ি বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলায়। বর্তমানে ওই কিশোরী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় সোমবার তিন হোটেল কর্মচারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওইদিন বিকেলে কিশোরীর দায়ের করা মামলায় তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। 

বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুলাইমান জানান, নাটোর সদরের মনির হোসেন (২০) নামের এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিশোরীর। মোবাইলে পরিচয় থেকে প্রেম হয় তাদের। 

কথিত প্রেমিকের ডাকে রোববার সন্ধ্যায় রাজশাহীতে আসেন কিশোরী। এরপর তারা আবাসিক হোটেল যমুনায় উঠেন। সেখানে কথিত প্রেমিক ও তার সহযোগীরা রাতভর ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন করে। সোমবার সকালে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় আসে কিশোরী। 

এসআই সুলাইমান বলেন, এ ঘটনায় কিশোরী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। ওই মামলায় কথিত প্রেমিক মনির হোসেন, তার বন্ধু আল আমীন এবং ওই হোটেলের তিন কর্মচারীর নাম উল্লেখ রয়েছে। সেই সঙ্গে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো দুই থেকে তিনজনকে। 

ঘটনার পর থেকে কথিত প্রেমিক পলাতক রয়েছে। তবে তার বন্ধু আল আমীনসহ তিন হোটেল কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।