এমপি-ইউএনওর বিরুদ্ধে সাঁওতালদের এজাহার

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:৫৫

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

গাইবান্ধায় সাঁওতালদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দাখিল হয়েছে।
 
এ ছাড়া অজ্ঞাত আরো ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয় এজাহারে।
 
শনিবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতালদের পক্ষে থমাস হেমব্রম বাদী হয়ে এজাহারটি দাখিল করেন।
 
এ সময় আইন ও সালিশ কেন্দ্র, ব্লাস্ট, নিজেরা করি ও এএলআরডির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন। তারা বাদীপক্ষকে আইনি সহায়তা দিতে ঢাকা থেকে শনিবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জে আসেন।
 
এজাহারে উল্লেখিত ব্যক্তিদের কয়েকজন হলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল হান্নান, চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আউয়াল, সাপমারা ইউপি চেয়ারম্যান শাকিল আকন্দ বুলবুল ও কাটাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রফিক।
 
পুলিশের পক্ষে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) নাজমুল আহমেদ এজাহারটি গ্রহণ করেন।
 
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার এজাহার দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
 
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারে সাঁওতালদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনার ২০ দিন পর থানায় এজাহারটি দাখিল হলো।
 
প্রসঙ্গত : রংপুর চিনিকলের আওতাধীন সাহেব ইক্ষুখামারের ১৮৪২ একর জমির মালিকানা নিয়ে স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।


৬ নভেম্বর সকালে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ কাটতে গেলে আদিবাসীরা বাধা দেয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আদিবাসীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। পরে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও আদিবাসীদের পক্ষে দাবি করা হয়।