এশীয় চারুকলা উৎসব ঢাকায় শুরু

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক
ADVERTISEMENT

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী দক্ষিণ এশিয়ার চারুকলা বিষয়ক ‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ’। গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার প্রধান মিলনায়তনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, ‘এ উৎসবটি আমাদের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক গন্ডি পেরিয়ে শিল্পকলাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেবে।’

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সহস্রাব্দ প্রাচীন। আমরা আমাদের আবহমান এ সংস্কৃতিকে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই। এ প্রদর্শনীতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অংশগ্রহণ করে এবং এর মাধ্যমে তাদের শিল্প-সংস্কৃতি সম্পর্কে আমরা সম্যক ধারণা পেয়ে থাকি, যা আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির উন্নয়ন ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের এক নিবিড় সাংস্কৃতিক যোগাযোগ গড়ে উঠে, যা দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কন্নোয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে এ অনন্য প্রদর্শনী ১৯৮১ সালে যাত্রা শুরু করে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫৪টি দেশ এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও ১৭তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ ২০১৬ এর সাংগঠনিক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি সচিব আক্তারী মমতাজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসেছিলেন উত্তর কোরিয়ার সংস্কৃতিবিষয়ক উপমন্ত্রী ইয়ং চোল এবং থাইল্যান্ডের উপমন্ত্রী চাওরো কাসিতসুন অরং ট্রন। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে ৫৫৬ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম থেকে বাছাই করে ১৪৮ জন শিল্পীর ১৫৪টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ৫৪ জন আমন্ত্রিত চিত্রশিল্পীর ৫৪টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পাচ্ছে।

অন্যদিকে প্রদর্শনীতে স্থান পাচ্ছে ৫৩টি দেশের ১৫০ জন শিল্পীর ২৬০টি শিল্পকর্ম। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো থেকে শিল্পী, শিল্প সমালোচক, মিউজিয়াম কিউরেটরসহ মোট ১৪৫ জন বিদেশী এ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছেন।

মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

"