প্রেম করার দন্ড!

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

যশোর প্রতিনিধি
ADVERTISEMENT

যশোরের কেশবপুরে প্রেম করার ‘অপরাধে’ তরুণ-তরুণীকে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ নির্যাতিতদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। থানায়ও তাদেরকে দু’দিন আটক রাখা হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল জেলার কালুখালি গ্রামের রবিউল ইসলামের (২২) সাথে কেশবপুরের বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের তেঘরী গ্রামের এক তরুণীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত রোববার দুপুরে রবিউল ইসলাম তেঘরী গ্রামের প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

এ খবর জানতে পেরে ওই তরুণীর মামাতো ভাই তেঘরী গ্রামের বাবলু মোড়ল এলাকার লোকজন নিয়ে তাদেরকে মেরে বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে নিয়ে আসে। এ সময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন হাশিয়ার রহমানের নির্দেশে গ্রাম পুলিশ ভবনের জানালার গ্রিলে দড়ি দিয়ে বেঁধে তাদের পেটাতে থাকে।

পরে থানার ওসি সহিদুল ইসলাম সহিদ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। তিনি জানান, সোমবার দুপুরে তাদেরকে অভিভবকের হাতে তুলে দেয়া হয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইউপি মেম্বর হাশিয়ার রহমান সাংবাদিকদের জানান, তারা পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য বেঁধে রাখা হয়। তাদের মারপিট করার কথা মিথ্যা।

ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘আমি ঢাকাতে অবস্থান করছি। খবর জানতে পেরে আমি পুলিশে খবর দেই। পুলিশ কি করেছে আমার জানা নেই। তিনি আরো বলেন, ওরা তো ছোট মানুষ, বিষয়টি সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখতে হবে। শাস্তি দেওয়া যাবে না।

"