না. গঞ্জে চেয়ারম্যানকে মারধর, সড়ক অবরোধ

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
ADVERTISEMENT

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগরে ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানকে মারধরসহ লাঞ্ছনার ঘটনায় ফের রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে তার সমর্থকরা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক ও মুন্সীগঞ্জ ঢাকা রোডে অবরোধ করে। অবরোধের কারণে ১ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের আশ্বাসে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীসহ আওয়ামী লীগের নেতারা অবরোধকারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেন। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে সোমবার বিকেল এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামানকে মারধর করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছিল। এ সময় অভিযুক্ত পিপুল, ওলা মাসুদ ও তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছিল ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ ও হামলার শিকার চেয়ারম্যান সমর্থকরা। কিন্তু পুলিশ হামলাকারীদের ধরতে না পারায় আন্দোলনকারী ফের সকালে রাস্তায় নেমে আসে তারা।

জানা গেছে, ফতুল্লার পঞ্চবটী হতে ধর্মগঞ্জ সড়কে রাস্তার ড্রেন নির্মাণকাজ চলছিল। পরে পঞ্চবটী ‘গফুর মার্কেট’ নামক বহুতল ভবনের মালিক পিপুলসহ তার লোকজন ড্রেন নির্মাণকাজ কাজ বন্ধ করতে বলেন। পরে এনায়েতনগর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তাদের বাধা না শুনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। পরে সোমবার বিকেলে চেয়ারম্যান পরিষদ থেকে কাজের সাইটে এলে পিপুলসহ তার লোকজন এসে চেয়ারম্যানকে মারধরসহ লাঞ্ছিত করে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, চেয়ারম্যানের সমর্থকরা রাস্তায় অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। পরে তাদের বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, এখন কোনো সমস্যা নেই। যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত : আমাদের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি আরো জানান, জেলার আড়াইহাজার উপজেলা এলাকায় গণপিটুনিতে মোমেন মিয়া (৪২) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। গতকাল ভোরে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের কল্যান্দী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মোমেন উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, গতকাল ভোর ৪টার দিকে উপজেলার কল্যান্দী গ্রামের প্রবাসী ফালান মিয়ার বাড়িতে ১৫/২০ জনের মুখোশ পরিহিত ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতদল প্রথমে অস্ত্রের মুখে সকলকে জিম্মি করে ফেলে। এরপর ঘরে থাকা নগদ ৪ লাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির লোকদের চিৎকারে আশপাশের শত শত লোক বের হয়ে কল্যান্দীতে একটি বড় খোলা মাঠে ডাকাতদের ঘিরে ফেলে। তখন সবাই পালিয়ে গেলেও মোমেন মিয়া ধরা পড়েন। এরপর গণপিটুনিতে তিনি নিহত হন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ১০০ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

"