প্রেমিক যুগলকে নির্যাতনের ঘটনায় একজন আটক

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

যশোর ও কেশবপুর প্রতিনিধি
ADVERTISEMENT

যশোরের কেশবপুরে প্রেমিক-প্রেমিকাকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করার ঘটনায় বাবলু মোড়ল(৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও অন্যদের আটক না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও নির্যাতিতদের পরিবার।

এলাকাবাসী জানায়, কেশবপুরের বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের তেঘরী গ্রামের এক ষোড়শী কন্যা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে নড়াইল জেলার কালুখালি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে রবিউল ইসলামের সাথে। এরই সূত্র ধরে গত ২৭ নভেম্বর দুপুরে রবিউল ইসলাম ওই মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। এ খবর জানতে পেরে মেয়ের মামাতো ভাই বাবলু মোড়লের নেতৃত্বে একদল যুবক প্রেমিক রবিউল ইসলামসহ ওই মেয়েকে আটক করে মারতে মারতে বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। এ সময় তেঘরী গ্রামের মেম্বর হাসিয়ার রহমান নিজেকে পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দাবি করে চৌকিদার আলমগীর হোসেনকে ওই প্রেমিক-প্রেমিকাকে পরিষদের গ্রিলে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে বেঁধে রাখার নির্দেশ দেয়। পরে তাদের উপর নির্যাতন চালানো হয়। সন্ধ্যায় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নেয়। ওই দিন সারারাত প্রেমিক-প্রেমিকাকে থানায় আটক রাখা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হয়। এদিন রাতে বাবলু মোড়লের নামসহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে রবিউল ইসলাম থানায় মামলা করেন। অভিযোগ রয়েছে, ভয়ভীতি দেখানোয় মামলায় ইউপি সদস্যকে আসামি না করা হয়নি।

এ ব্যাপারে মেম্বর হাসিয়ার রহমান জানান, তাদেরকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। জনগণের মারপিট ঠেকাতে ও পালিয়ে যাবে এ আশঙ্কায় তাদেরকে বেঁধে রাখা হয়েছিল।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক দত্ত বলেন, এ ঘটনায় সোমবার রাতে রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে তেঘরী গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে বাবলুর নামসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বাবলু মোড়লকে আটক করা হয়েছে। তাকে মঙ্গলবার বিকেলে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

"