স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন ও কালোব্যাজ ধারণ

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ADVERTISEMENT

ঝালকাঠিতে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি ঘটনায় জড়িত ডাকাতদের গ্রেফতার, লুন্ঠিত ৭৪ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন ও কালোব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। ঝালকাঠির স্থানীয় জুয়েলার্স মালিক কর্মচারীসহ এলাকাবাসীর উদ্যোগে শহরের ডাক্তারপট্টি সড়কে গতকাল শনিবার দুপুর ১২ টা থেকে ১টা পর্যন্ত দোকান বন্ধ রেখে ও কালো ব্যাজ ধারণ করে মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি ঝালকাঠি জেলা শাখা।

কর্মসূচিতে পালতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে স্থানীয় পুলিশের ব্যর্থতা ও ডাকাতী হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধারে পুলিশের প্রয়োজনীয় তৎপরতার অভাব থাকার অভিযোগ তোলা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জুয়েলার্স মালিক সমিতির সভাপতি দেবব্রত কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক দিপক কর্মকারসহ নেতৃবৃন্দ।

তারা অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর ৬ দিন অতিবাহিত হলেও ডাকাতি হওয়া ১১৪ ভরি স্বর্ণালংকারের মধ্যে ৪০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারের দাবি করলেও বাকি স্বর্ণ এবং ডাকাতির সাথে জড়িত অন্যদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। প্রশাসনের কাছে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণ উদ্ধার, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও জানান স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা অন্যথায় লাগাতার আন্দোলনের হুমকী দেন তারা।

গত ২৪ নভেম্বর একই দাবীতে সংবাদ সম্বেলন করে জুয়েলার্স মালিক-কর্মচারি সমিতি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, ২০০৯ সনে পুলিশ সুপার কার্যলয়ের সামনে থেকে মুসলিম গিনি হাউসের মালিকের ছেলে হাসান ইমামের পায়ে গুলি করে ২’শ ভড়ি স্বর্ণ ডাকাতি হয়। সে মামলাটি তদন্ত নিয়ে পুলিশ গড়িমসি করলে তদন্তভার দেয়া হয় সিআইডিকে। গত ৮ বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সিআইডি। তাই জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা শংকতি বর্তমান ডাকাতির ঘটনা তদন্ত, পলাতক ডাকাতদের গ্রেফতার ও লুন্ঠিত স্বর্নলংকার উদ্ধার নিয়ে।

উল্লেখ্য গত ২১ নভেম্বর সন্ধার পর ডাক্তারপট্টি সড়কের মুসলিম গিনি হাউজে ঢুকে একদল সশস্ত্র ডাকাত বেশ কয়েকটি বোমা ফাটিয়ে ১১৪ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামী করে ডাকাতি ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে ৪০ ভরি স্বর্ন উদ্ধার ও দুইজনকে গ্রেফতার দেখোনো হয়েছে।

 

 

"