মেয়েদের দারুণ জয়

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

খেলা প্রতিবেদক
ADVERTISEMENT

দুঃস্মৃতির পরাজয় দিয়েই এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি অভিযান শুরু করেছিল বাংলাদেশ নারী দল। ভারতের বিপক্ষের ওই হারটা রীতিমত তাতিয়ে দিয়েছে রুমানা-জাহানারাদের। পরের দুটো ম্যাচেই একচ্ছত্র আধিপত্যে জয় তুলে নিয়েছে টাইগ্রেসরা। স্বাগতিক থাইল্যান্ডকে অনায়াসে হারানোর পর নেপালকেও উড়িয়ে দিয়েছে দুই বারের চ্যাম্পিয়নরা।

কাল ব্যাংককের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি মাঠে নেপালকে ৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।

নেপালকে মাত্র ৪১ রানে অলআউট করে এই রাজসিক জয় তুলে নেয় আসরের প্রাক্তন শিরোপাধারীরা। প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে থুব একটা সুবিধা করতে পারেনি সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমটা হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচটা রুমানার দল জিতেছিল বোলারদের আগুন বোলিংয়ের সৌজন্যে।

তৃতীয় ম্যাচটা অবশ্য একেবারেই ভিন্নরূপে দেখা গেল টাইগ্রেসদের। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই দাপুটে পারফর্ম করেছে। দুই বিভাগের নৈপুণ্যের ফল হিসেবে এসেছে দ্বিতীয় জয়টা। এই জয়ের ফলে ফাইনালের পথে আরেকধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। কাল টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৩ রানের শক্তিশালী সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। লাল-সবুজ জার্সিধারীদের এই সংগ্রহ এসেছে নিগার সুলতানা ও সানজিদা ইসলামের ব্যাটিং দৃঢ়তায়। এই দুই ওপেনারই তো ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিল দলকে। দলীয় সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেছেন নিগার সুলতানা। ৪১ বলের ইনিংসে মাত্র একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি। ৩৫ রান করা আরেক ওপেনার সানজিদা অবশ্য চার মেরেছেন ৫টি। ইনিংসে মোট ৪০টি বল খরচ করেছেন টাইগ্রেস ওপেনর। ইনিংসের শেষ দিকে শিলা শারমিনের ১৯ ও রুমানা আহমেদের ১৭ রানের ইনিংসের সুবাদে শক্তিশালী সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। নেপালের মতো খর্বশক্তির দলের জন্য ১৩৪ রানের লক্ষ্যটা বড্ড কঠিনই বলা চলে।

জবাব দিতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে তারা। জয় দূরে থাক বাংলাদেশের বোলারদের বিপরীতে ন্যুনতম লড়াইটুকু করতে পারেনি তারা। উল্টো সাবেক চ্যাম্পিয়নদের তোপে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের ব্যাটিং লাইন।

নেপালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিটা করেছেন ফাহিমা খাতুন। মাত্র ৮ রান খরচায় নেপালের ৪ উইকেট তুলে নেন এই লেগ স্পিনার। ২ রান দিয়ে দুটি উইকেট শিকার করেছেন নাহিদা আক্তার। খালি হাতে ফেরেননি সুরাইয়া আমিন, রুমানা আহমেদ, জাহানারা আলম, পান্না ঘোষও। প্রত্যেকেই ঝুলিতে পুড়েছেন একটি করে উইকেট। বাংলাদেশের আগ্রাসী বোলিংয়ের বিপরীতে নেপালের সিতা রানা মারগার যা কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছেন। করেছেন দলীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান। বাকিদের রান সংখ্যা যেন টেলিফোনের ডিজিট!

"