জেলা পরিষদে প্রার্থী হতে পারছেন না আবু ওসমান

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক
ADVERTISEMENT

দলীয় মনোনয়ন পেয়েও নির্দলীয় জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারছেন না সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের নেতা মুক্তিযোদ্ধা এম আবু ওসমান চৌধুরী। নিজের নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হওয়ায় চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে তার প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্র বলছে, এম আবু ওসমান চৌধুরীসহ অন্তত তিনজন ভোটার স্থানান্তরের জন?্য আবেদন করেছেন। ভোট সামনে রেখে তফসিল ঘোষণার পর এ ধরনের ঠিকানা স্থানান্তরের আবেদন আমলে নিচ্ছে না কমিশন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব?্যক্তিরা নিজ এলাকার ভোটার না হওয়ার কারণে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না।

তিন পার্বত?্য জেলা বাদ দিয়ে বাকি ৬১ জেলায় প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদের চেয়ারম?্যান ও সদস্যপদে ভোট হচ্ছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। বাছাই ৩ ও ৪ ডিসেম্বর; প্রার্থিতা প্রত?্যাহারের শেষ সময় ১১ ডিসেম্বর। ভোট হবে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত। নির্দলীয় এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৬১ জেলায় একক প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করে গত শুক্রবার তালিকা প্রকাশ করেছে। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি এ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশের যেকোনো ভোটার জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারলেও ভোট দিতে পারবেন না। আর জনপ্রতিনিধিরা ভোটার হলেও প্রার্থী হতে পারবেন না।

সংসদ, সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন হলেও জেলা পরিষদ আইনে প্রত্যক্ষ ভোটের বিধান নেই। প্রত্যেক জেলার অন্তর্ভুক্ত সিটি করপোরেশনের (যদি থাকে) মেয়র ও কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্য জেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার হবেন। তাদের ভোটেই জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচিত হবেন। এ হিসেবে স্থানীয় সরকারের চার ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত প্রতিনিধি এ নির্বাচনে ভোট দেবেন।

বর্তমানে ৬১ জেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত পরিষদের প্রশাসকও রয়েছেন। নির্বাচনে অংশ নিতে তাদেরও পদ ছাড়তে হবে। ইসির উপসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান জানান, স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের ভোটার হতে হবে। ২০ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তর বন্ধ রয়েছে।

"