স্বাস্থ্য

ফুলকপির গুণাগুণ

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

শীতের সবজিতে এখন ভরপুর বাজার। এ সময়ের সবজির মধ্যে ফুলকপি সবার কাছেই প্রিয়। স্বাদে যেমন এর তুলনা নেই তেমনি স্বাস্থ্যগুণের শেষ নেই এই সবজির। পুষ্টিবিদদের মতে, এটি পুষ্টি-সমৃদ্ধ দারুণ একটি সবজি। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’। প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড। নিয়মিত ফুলকপি খেলে অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ফুলকপি খেলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ে। বাড়ন্ত শিশুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফুলকপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ফুলকপি বেশ কাজ করে। এতে সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথাভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়।

ফুলকপিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রাসম্পন্ন আয়রন রক্ত তৈরি, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শিশু ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ফুলকপিতে রয়েছে দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আমিষ। পুষ্টিবিদরা জানান, ফুলকপি স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যানসারের জীবাণুকে ধ্বংস করে। এ ছাড়া ক্যানসারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও ফুলকপির যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুলকপিতে যেহেতু প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও পটাশিয়াম আছে, তাই যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ফুলকপি খাবেন।

সপ্তক ডেস্ক

"