স্বাস্থ্য

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে খাবার

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

সারা বিশ্বে যেসব কারণে মহামারী আকারে মানুষ মারা যাচ্ছে স্ট্রোক তার মধ্যে অন্যতম। স্ট্রোক নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা নার্স হেলথ স্টাডি এক হাজারের বেশি নারীর ওপর এক গবেষণা চালায়। তাতে দেখা যায়, যারা পাশ্চাত্য ধরনের খাবার অর্থাৎ প্রসেসড ফুডে অভ্যস্ত তাদের মধ্যে শতকরা ৫৮ ভাগ নারী স্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছেন। অন্যদিকে যারা শস্যজাতীয় খাবার, ফল, শাকসবজি এবং মাছ খান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অনেক খাবার আছে যা খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় কমিয়ে ফেলা যায়।

মাছ : হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল প্রায় ১২ বছর ধরে ৫০০০ পূর্ণ বয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করে যাদের বয়স ৬৫ বছর অথবা তার বেশি। এই গবেষণায় দেখানো হয় যে, যারা সপ্তাহে অন্তত চার দিন মাছ খান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ২৭ শতাংশ কম। যেসব মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ রয়েছে সেসব মাছ রক্তের প্রবাহ বাড়ায় এবং রক্তচাপ কমায়। আর খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে মাছ রাখা মানে লাল মাংসের জায়গা কমে যায়। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

শিম : শিম হার্টের জন্য খুবই উপকারী। এটা মস্তিষ্কের প্রতিরক্ষাও করে। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি।

ফল ও শাকসবজি : ফল আর শাকসবজি স্ট্রোক প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। কারণ এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সাইডের ভূমিকা পালন করে। শরীরে রক্তপ্রবাহ উন্নত করতেও ফল বা শাকসবজির তুলনা নেই।

কলা : প্রতিদিন কলা খাওয়া উচিত। কারণ কলা শরীরে পটাশিয়াম ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলু প্রচুর পরিমাণে ফাইবারে ভর্তি একটি সবজি। রাতের খাবারে মিষ্টি আলু রাখাটা ভালো খাদ্য তালিকার প্রমাণ। এটি শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।

লো ফ্যাট দুধ : যুক্তরাষ্ট্রের পুয়ের্তো রিকান পুরুষের ওপর একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিদিন দুধ খান তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলক কম, যারা প্রতিদিন দুধ খান না তাদের থেকে। তবে ফ্যাটযুক্ত দুধ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

পুঁইশাক : পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন বি (ফলেট) এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা ২০ শতাংশ স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

বাদাম : কয়েক ধরনের বাদাম মিলিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক মুঠো বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। কারণ বাদাম শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকির পরিমাণও কমে যাবে।

সূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট।

"