আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে ১২০০ কোটি টাকা দেবে বিশ্বব্যাংক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক
ADVERTISEMENT

আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়নে ১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী (প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসাবে) এর পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা। শিগগিরই সংস্থাটির সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি সই হবে বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটির আওতায় স্থলবন্দর ও পরিবহনে অবকাঠামো উন্নয়ন করা গেলে কম খরচে ও কম সময়ে কৌশলগত আঞ্চলিক যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া বর্তমান স্থলবন্দরগুলোতে সীমান্ত পারাপারের সময় কমিয়ে আনা, নতুন স্থলবন্দর স্থাপনের মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং আমদানি ও রফতানি কার্যক্রম সহজ করা সম্ভব হবে।

আঞ্চলিক সংযোগের এ প্রকল্পের আওতায় স্থলবন্দরগুলোর মধ্যে, বিশেষ করে বেনাপোল, ভোমরা, শাওলা, রামগড় ও তেগামুখের ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি সমন্বয়ের মাধ্যমে স্থলবন্দরগুলোর কাজে গতি আনা হবে। বন্দরগুলোর অটোমেশনেও বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। প্রায় এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবি আর)। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা উইংয়ের প্রধান এনায়েত হোসেন বলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা অবকাঠামো সংকট। স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামো সংকট রয়েছে। এগুলো কমিয়ে আনতে পারলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা অনুসারে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এ ঋণের ওপর শতকরা শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

বিশ্বব্যাংক প্রকল্পটির দ্রুত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য কিছু পরিমাপক নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। সংস্থাটির দেওয়া মধ্যমেয়াদি যেসব সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছেথ নতুনভাবে স্থাপিত স্থলবন্দর বা বর্তমানে অবস্থিত স্থলবন্দরের সংখ্যা, নারী ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের জন্য গৃহীত কর্মসূচির সংখ্যা, প্রকল্পের আওতাভুক্ত স্থলবন্দরগুলোতে ট্রেড রেজিস্ট্রেশন কমানোর সংখ্যা, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর (এনএসডব্লিউ) জন্য আইনগত কাঠামো তৈরি ও অনুমোদন ইত্যাদি।

 

 

"