বন্যায় ছয় শুল্কস্টেশনে আমদানি-রফতানি বন্ধ

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৬, ০০:০০

সিলেট অফিস
ADVERTISEMENT

ভারত থেকে আসা বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে সিলেট বিভাগের অন্তত চারটি শুল্কস্টেশন পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া আরো দুটি শুল্কস্টেশনের ডাম্পিং ইয়ার্ড তলিয়ে গেছে পানিতে। এতে শুল্কস্টেশনগুলো অচল হয়ে পড়ায় সব ধরনের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

পরিবেশ-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আগে থেকেই সিলেটের শুল্কস্টেশনগুলো দিয়ে ভারতীয় কয়লা আমদানি বন্ধ আছে। এখন বন্যার কারণে অন্যান্য পণ্যের আমদানি-রফতানি বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। এসব স্টেশনে কর্মরত কয়েক হাজার দিনমজুর বেকার হয়ে পড়েছেন।

শুল্কস্টেশন-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যে টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের হাওড়াঞ্চল। এতে তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া, চাতলাপুর, চেলা ও ছাতক শুল্কস্টেশন পানিতে পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া সিলেটের তামাবিল ও কোম্পানীগঞ্জ শুল্কস্টেশনের ডাম্পিং ইয়ার্ড পানিতে তলিয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের টিনশেডের ঘরটি ছাড়া আশপাশের পুরো এলাকা তলিয়ে গেছে পানিতে। ভারত-বাংলাদেশ সংযোগ সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। একই অবস্থা চাতলাপুর, চেলা ও ছাতক শুল্কস্টেশনেও।

বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের তত্ত্বাবধায়ক সোমেন চাকমা বলেন, পাহাড়ি ঢলের কারণে শুল্কস্টেশন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে শুল্কস্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শুল্কস্টেশনের কর্মকর্তারা জানান, সিলেট বিভাগে অবস্থিত শুল্কস্টেশনগুলো আমদানিনির্ভর। এসব স্টেশন দিয়ে কয়লা, পাথর ও চুনাপাথর সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়। এর মধ্যে বড়ছড়া, চাতলাপুর ও তামাবিল শুল্কস্টেশন দিয়ে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয়।

ছাতক শুল্কস্টেশনের তত্ত্বাবধায়ক সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, কয়লা আমদানি বন্ধ থাকলেও এ স্টেশন দিয়ে প্রচুর পাথর ও চুনাপাথর আমদানি হতো। তবে বন্যায় তলিয়ে যাওয়ায় এখন আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

"