মোদিসহ ২২ রাজনীতিবিদ হত্যার পরিকল্পনা!

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

বিদেশ ডেস্ক
ADVERTISEMENT

ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ ২২ শীর্ষ রাজনীতিককে হত্যার পরিকল্পনায় তিন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা। তারা জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সদস্য। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএ) গতকাল সোমবার তামিলনাড়ু রাজ্যের মাদুরাই থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

ভারতের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায়, এনআইএ তাদের জেরা করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে হত্যার চক্রান্তের কথা জানতে পারে। গতকাল এনআইএ তদন্তকারী দল জিআর নগর, ওসমাননগর ও ইসমাইলপুরমে অভিযান চালিয়ে এম কারিম, আসিফ সুলতান এবং আব্বাস আলী নামের তিন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে। জঙ্গিদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমানে বিস্ফোরক আটক করা হয়।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া তিন জঙ্গির দেশের ২২ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল। পাশাপাশি গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন জঙ্গিদের হত্যার তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও আছেন। তারা ভারতে বিভিন্ন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনাও করেছিল। আগে গ্রেপ্তার হওয়া আল-কায়দা জঙ্গি হাকিম ও দাউদ সোলেমানকে জেরা করে এদের সম্পর্কে তথ্য জানতে পারে এনআইএ। আরো দুই আল-কায়েদা জঙ্গিকে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

এনআইএ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করছে আটকদের কাছ থেকে। কেন তারা এত জন নেতাকে হত্যা করতে চায়, কেনই বা সেই হিট লিস্টে রয়েছে নরেন্দ্র মোদির নাম, হিট লিস্টে থাকা বাকি রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে কারা কারা রয়েছেনÍ এই প্রশ্নগুলোই আপাতত ভাবাচ্ছে ভারতের এনআইএ গোয়েন্দাদের।

নিজ দলের নেতাদের ব্যাংক হিসাব চাইলেন মোদী : চলতি বছরের ৮ নভেম্বর হঠাৎ করেই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ভারতের নাগরিকরা পড়েন ভীষণ বিপদে। হাতে টাকা থাকলেও তা কোনো কাজে আসছে না কারণ সেটা বাতিল হয়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে ছুটলেন ব্যাংকে, নোট বদলাতে। কিন্তু এতেও আরেক বিপদে পড়তে হচ্ছে তাদের। নোট বাতিলের পর ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপির মন্ত্রী, এমপিদের করা ব্যাংক লেনদেনের হিসেব চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

মঙ্গলবার তিনি এ নির্দেশ দেন। সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, নোট বাতিলের ঘোষণা দেয়ার আগে নিজের দল বিজেপির নেতা-কর্মীদের সে তথ্য জানিয়ে দিয়েছিলেন মোদি। ফলে তারা নোট বাতিলের পর সৃষ্ট বিড়ম্বনা থেকে বেঁেেচ গেছে। এরপরপরই মোদি এ ঘোষণা দিলেন। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাতিল নোট ব্যাংক থেকে বদলানো যাবে। ৮ নভেম্বর থেকে ৩১ নভেম্বর পর্যন্ত এসব মন্ত্রী, এমপি কী পরিমাণ নোট বদল করেছেন তার খতিয়ান তাদের জমা দিতে হবে বিজেপির প্রেসিডেন্ট অমিত শাহের কাছে।

"