আলেপ্পোর বিদ্রোহী এলাকা পুনর্দখল সিরীয় বাহিনীর

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০০

বিদেশ ডেস্ক
ADVERTISEMENT

আলেপ্পোর ছয়টি বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত জেলা পুনর্দখল করেছে সিরীয় বাহিনী। সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরটিতে সিরীয় বাহিনী অভিযান শুরু করার পর ১০ হাজার সাধারণ নাগরিক ওই এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। খবর এএফপির।

একসময় সিরিয়ার বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত আলেপ্পো শহরটি ২০১২ সালে বিদ্রোহীরা দখল করে নেয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউমেন রাইটস জানিয়েছে, আলেপ্পোর পূর্ব দিকের হানানো জেলা নিয়ন্ত্রণে নেয়ার একদিন পর রোববার জাবাল বাদ্রা, বাদিন এবং আরো তিনটি এলাকা দখলে নেয় সিরীয় বাহিনী।

পর্যবেক্ষণ সংস্থাটি জানিয়েছে, ইনজারাত, আল সাকান আল শাবি এবং আইন আল তাল শাসকদের হাতে ফিরে এসেছে।

সংস্থার প্রধান রামি আবদেল রাহমান জানিয়েছেন, আলেপ্পো শহরের ৩০ ভাগ এলাকারই নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বিদ্রোহীরা। উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকাই দখলে নিয়েছে সরকার বাহিনী। বিদ্রোহীরা দখলে নেয়ার পর আলেপ্পোর পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ খাদ্য এবং জ্বালানী সংকটে অবরুদ্ধ ছিল আড়াই লাখ বেসামরিক মানুষ। পর্যবেক্ষণ সংস্থাটি জানিয়েছে, শনিবার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকা থেকে প্রায় ১০ হাজার বেসামরিক নাগরিক পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর পূর্ব আলেপ্পোর নিয়ন্ত্রণ নিতে নতুন করে এ অভিযান শুরু করে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের অনুগত সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে, বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত আলেপ্পোর পূর্ব অংশকে দ্বিখ-িত করে ফেলা।

চলমান অভিযানের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ ইতোমধ্যে আসাদ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অথবা বিদ্রোহীদের দখলে থাকা এলাকাগুলোতে পালিয়ে যাচ্ছে।

পূর্ব আলেপ্পোতে আনুমানিক দুই লাখ ৭৫ হাজার মানুষের বসবাস। ধারণা করা হচ্ছে, এদের একটা বড় অংশেরই খাবার এবং ওষুধের মজুদ বা সরবরাহ শেষ হয়ে গেছে। টুইটারে ব্যাপক জনপ্রিয় সাত বছরের সিরীয় শিশু বানা আলাবেদ। টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে বানা আলাবেদ জানিয়েছে, রবিবার আলেপ্পোতে তার বাড়িতে বোমা আঘাত হেনেছে।

"