৩৭ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৬, ১৪:২৫

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

বিশ্বের অসংখ্য মানুষ এইচআইভি ও প্রাণঘাতী এইডসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও সে বিষয়টি জানতে পারে না। এতে তারা অন্যদের সংক্রমিত করে এবং নিজেরাও দ্রুত মৃত্যুমুখে পতিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বের এইচআইভিতে আক্রান্তদের ৪০ শতাংশই জানে না যে তারা এতে আক্রান্ত। বিশ্বের অন্তত ৩৭  মিলিয়ন মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি পরিসংখ্যানে প্রকাশিত হয়েছে—প্রতি সাতজনে একজন এইচআইভি ও এইডসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও সে সম্পর্কে জানে না। আর এ কারণে রোগটি নিরাময়ের উদ্যোগ বেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস মহামারি বন্ধের যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এ কারণে।

এইচআইভি সংক্রমণ থেকে এইডস হতে বেশ কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়। আর এ সময়ের মধ্যে ভাইরাসিটিতে আক্রান্ত কিংবা রোগী এইচআইভি জীবাণু ছড়াতে পারে। ফলে এ মধ্যবর্তী সময়ে প্রচুর মানুষের মাঝে রোগটি ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পরিসংখ্যানে প্রকাশ, সেখানে প্রায় আট লাখ ১০ হাজার ব্যক্তির দেহে এইচআইভি জীবাণু রয়েছে। আর তাদের মধ্যে ১ লাখ ২২ হাজার ব্যক্তি নিজেই যে এ জীবাণুতে আক্রান্ত, সে খবর জানেন না।
সম্প্রতি অজান্তেই এ জীবাণুতে বা রোগটিতে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নীতিনির্ধারকরা। তারা জানিয়েছেন, বিষয়ট সত্যিই উদ্বেগজনক। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল (ইসিডিসি) এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত বছর এ অঞ্চলে প্রায় ৩০ হাজার এইচআইভি বা এইডসের নতুন রোগী শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

সম্প্রতি এইচআইভি নিজে নিজে পরীক্ষা করার জন্য কিট তৈরি করা হয়েছে। এগুলো ছাড়াও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার সঙ্গে এইচআইভি পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এগুলো এইডস ও এইচআইভি নির্ণয়ে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: ফক্স নিউজ