বাঁচুন সর্দিকাশির হাত থেকে

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৬, ১৫:২৬ | আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৬, ১৫:৩০

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

প্রিয়াঙ্কার রাত থেকে সর্দি হয়েছে৷ একদিকে কিচ্ছু ভালো লাগেছে না৷ সারাদিন মাথা ঝিমঝিম অথচ কেউ পাত্তাও দিচ্ছে না এই রোগটাকে! মরশুম বদলের সময় সবারই এই এক সমস্যা হয়৷ অথচ সর্দি হয়েছে বলে তো আর কাজ বন্ধ রাখা যায় না! জেনে নিন ঘরোয়া উপায়

১) সর্দিতে মশলা চায়ের থেকে হলুদ দিয়ে দুধ খাওয়া অনেক বেশি উপকারী৷ হলুদ দিয়ে দুধ খেলে শুধু সর্দিকাশি কমে তা নয়, এই দুধ খুবই স্বাস্থ্যকর৷

২) গারগেল থেরাপি সেই নানী-দাদী আমল থেকেই হিট৷ হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে গারগেল করলে অনেক উপকার মেলে৷ এই অভ্যাস নিয়ম করে দিনে দু'বার করুন৷ লবণের সঙ্গে সামান্য হলুদও জুড়ে দিতে করতে পারেন৷

৩) লেবু, দারচিনি এবং মধু দিয়ে বাড়িতেই বানাতে পারেন সিরাপ৷ কড়াইয়ে অল্প আঁচে মধু গলিয়ে তার মধ্যে অল্প দারচিনি এবং লেবুর রস মেশালেই তৈরি হয়ে যাবে এই সিরাপ যা সর্দিকাশি কমাতে সাহায্য করে৷

৪) গরম চা খাওয়ার অভ্যাস ভালো৷ হালকা গরম পানি খেলেও উপকার পাবেন৷

৫) গাজরের জুসও ট্রাই করতে পারেন৷ একটু আউট অফ দ্য ট্র্যাক হলেও সর্দি নিরাময়ের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী এটি৷

৬) চুইং গাম না চিবিয়ে মুখে সামান্য আদাকুচি রাখলে উপকার মিলবে৷ মুখের রুচি ফেরাতেও সাহায্য করে আদা৷

৭) পানিতে তুলসিপাতা এবং জোয়ান একসঙ্গে ফুটিয়ে সেই পানি খান৷ উপকার হবে৷

৮) সর্দিকাশির অব্যর্থ ওষুধ হল স্টিম৷ পানি গরম করে তার স্টিম কনজিউম করুন৷ এই টোটকা ভীষণভাবে ইন৷

৯) নিজের রোজকার চায়ে আদা, তুলসি ও গোলমরিচ মিশিয়ে খান৷ কাশি কমবে৷

১০) নিয়মিত আমলকি খান৷ আমলকি সর্দিও নিরাময় করবে আবার রক্তকেও পরিশুদ্ধ করে৷

১১) হালকা গরম পানিতে অল্প ঘি এবং অল্প লবণ মিশিয়ে সেটা খেলেও অনেকটা আরাম পাবেন৷

১২) গোসলের পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস অয়েল মিশিয়ে নিন৷ গায়ের ব্যথা কমবে অনেকটা৷

১৩) সামান্য গরম ঘি-এ রসুন কুচি মিশিয়ে খেলেও সর্দিকাশি কমে৷