যে ১০ খাবারে অ্যালার্জি বেশি

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৬, ১২:২২ | আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৬, ১২:২৭

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

বেশ কিছু খাবার রয়েছে যা অ্যালার্জেনিক খাবার হিসেবেই পরিচিত। সব্জির মধ্যে টমেটো, বেগুন, ফলের মধ্যে আনারস, কলা থেকে যেমন অ্যালার্জি হতে পারে, তেমনই মাশরুম বা হাঁসের ডিম খেলেও অ্যালার্জি হতে পারে অনেকের। জেনে নিন কোন ১০ খাবার থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ অ্যালার্জিতে ভোগেন। 

১.দুধ: তিন বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে আড়াই শতাংশ শিশু গরুর দুধের অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়। তবে দুধে অ্যালার্জি থাকা আর ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স, কখনই এক নয়।

২.গম: গমের আটা, পাঁউরুটি খেলে অ্যালার্জির সম্ভাবনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। শিশুদের যদি গমে অ্যালার্জি থাকে, তাহলে বার্লি বা অন্যান্য দানাশস্যের ক্ষেত্রেও সেই অ্যালার্জি দেখা যেতে পারে।

৩.সয়: সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রেই সয় থেকে অ্যালার্জি দেখা যায়। সয় বিনস, সয় মিল্কে অ্যালার্জি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ১০ বছর বয়সের পর থেকে কমে আসে।

৪.ডিম: অধিকাংশ শিশুই দুধের মতোই ডিমের অ্যালার্জিতে ভোগে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন থেকে এই অ্যালার্জি হয়। তবে অ্যালার্জি থাকলে ডিম পুরোপুরি্ এড়িয়ে চলাই ভাল।

৫.ফল ও সবজি: বেশ কিছু ফল ও সবজি থেকে অনেকেরই অ্যালার্জি হয়। বেগুন, গাজর, টমেটো, পিচ, কলা থেকে অনেকেই অ্যালার্জির সমস্যায় ভোগেন।

৬.ট্রি নাটস: কাজু, পেস্তা, আমন্ড, আখরোট, ব্রাজিল নাটে অনেকেরই অ্যালার্জি থাকে। তবে কোনও এক ধরনের বাদামে অ্যালার্জি থাকা মানেই অন্য বাদামেও অ্যালার্জি হবে এমনটা নাও হতে পারে।

৭.শেল ফিশ: এই অ্যালার্জি খুবই কমন। চিংড়ি, কাঁকড়া, ওয়েস্টার, শামুক জাতীয় খাবার যার শক্ত খোল রয়েছে তার থেকেই অ্যালার্জি হয় বিশ্বের প্রায় ৬০% মানুষের।

৮.চিনে বাদাম: শিশুদের মধ্যে প্রায়ই চিনে বাদামে অ্যালার্জি দেখা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল ক্যাম্পাসগুলোতে ১৯৯৭-২০০৮ সাল পর্যন্ত চিনে বাদাম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

৯.মাছ: অনেকের কোনও এক বিশেষ প্রকার মাছে অ্যালার্জি থাকে, আবার অনেকের স্যালমন, টুনা, ম্যাকরলে জাতীয় সামুদ্রিক মাছ খেলে অ্যালার্জি হয়।

১০.ফালফাইট: খাবারের রঙ নষ্ট হয়ে যাওয়া, বা বাদামি রঙ ধরাতে অনেক খাবারে সালফাইট ব্যবহার করা হয়। এই সালফাইট থেকে অনেকের অ্যালার্জি হয়।