জুলাইয়ে রফতানি আয় কমেছে ৩.৪৯%

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০১৬, ১৩:৫৭

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

চলতি অর্থবছরের (২০১৬-২০১৭) প্রথম মাসে ২৫৩ কোটি ৪৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য বিদেশে রফতানি হয়েছে। পণ্য রফতানির এই আয় গত অর্থবছরের (২০১৫-২০১৬) একই সময়ের চেয়ে ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ কম। গতকাল প্রকাশিত রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে দেখা গেছে, জুলাইয়ে ৩৩৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার লক্ষ্যের বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছে ২৫৩ কোটি ৪৩ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ হিসাবে লক্ষ্যের তুলনায় আয় ২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল ২৬২ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এ হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রফতানি আয় কমেছে ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

প্রাথমিক ভোগ্যপণ্য, শিল্পজাত ও কম্পিউটার সেবা এ তিন খাতে রফতানি আয় প্রকাশ করে ইপিবি। এর মধ্যে গত জুলাইয়ে প্রাথমিক ভোগ্যপণ্য রফতানি থেকে আয় কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং শিল্পজাত পণ্যে আয় কমেছে ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। কম্পিউটার সেবা রফতানি আয়ের তথ্য বরাবরের মতোই হালনাগাদের অপেক্ষায় আছে।

রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক থেকে। ইপিবি জানিয়েছে, গত জুলাইয়ে এ খাত থেকে রফতানি আয় কমেছে ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। এই সময়ে তৈরি পোশাক রফতানি  হয়েছে ২১১ কোটি ৭৫ লাখ ৮০ হাজার ডলারের। গত বছরের একই মাসে তৈরি পোশাক রফতানি করে ২২১ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার ডলার আয় হয়েছিল।

রফতানি আয় হ্রাস প্রসঙ্গে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, গুলশানের ঘটনার কোনো প্রভাব রফতানি আয়ে পড়েনি, আয়ের যে পরিসংখ্যান তা ঘটনার আগে রফতানি হওয়া পণ্যের। তবে ইউরোর অবমূল্যায়ন হয়েছে। এর প্রভাবে রফতানি আয় কমেছে।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত মাসে প্রাথমিক ভোগ্যপণ্যের মধ্যে চিংড়ি রফতানিতে ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ ও কৃষিপণ্যে ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ আয় কম হয়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি থেকে আয় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ।

আয় কমার ব্যাপারে জানতে চাইলে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা বলেন, সাম্প্রতিক ঈদ উত্সবে কারখানা দুই সপ্তাহের মতো বন্ধ ছিল। এর কিছুটা প্রভাব পড়ে থাকতে পারে। এছাড়া বৈশ্বিক বা অভ্যন্তরীণ কোনো ঘটনার প্রভাব রফতানি আয়ে পড়েছে, এমনটা আমরা মনে করছি না। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কোনো সমস্যা হবে না এমন প্রত্যাশাই করছি।