উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে মেঘমালা, ৩ নং সতর্কতা সংকেত

প্রকাশ | ০৯ আগস্ট ২০১৬, ১৭:৪৭

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর সঞ্চালন মেঘমালা ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে।

এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় মঙ্গলবার দুপুর থেকে অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থা বিরাজ করছে। একইসঙ্গে বয়ে যাচ্চে দমকা হাওয়া। সমুদ্র ও সকল নদ-নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার বিকেল চারটা পর্যন্ত কলাপাড়াসহ সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় এ অবস্থা বিরাজ করছিল। অমাবস্যার প্রভাবে গত সাত দিন ধরে সাগরসহ সকল নদ-নদী উত্তাল হয়ে ওঠে। এতে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রার পণ্য খালাস কার্যক্রম স্থগিত রাখে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো মঙ্গলবার থেকে উপকূলীয় এলাকার দিকে ধেয়ে আসছে মেঘমালা। এর প্রভাবে দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একইসঙ্গে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তার বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় এলাকার বন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আগামী ২-৩ দিন ভারি  বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আনছার মোল্লা  জানান, সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় মাছ ধরা সকল ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য মৎস্য বন্দর আলপিুর-মহিপুরের প্রোতাশ্রয় শিববাড়িয়া নদীতে আশ্রয় নিচ্ছে।  

এদিকে, উত্তারাঞ্চল থেকে উজানের পানি সমুদ্রের দিকে ধেয়ে আসায় দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। সমুদ্র তীরবর্তী কলাপাড়ার আন্ধারমানিক, রামনাবাদসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে গ্রামের ভেতর প্রবেশ করায় গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যাচ্ছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি, বাড়িঘর, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা।