মাধ‌্যমিকে মান বাড়াতে যে ১৫ সুপারিশ

প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০১৬, ১৫:৫৭

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান বাড়াতে ১৫টি সুপারিশ করেছেন দেশের শিক্ষাবিদেরা। এর মধ্যে শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলাসহ কয়েকটি বিষয় পাবলিক পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত না রাখা, ২০১৯ সাল থেকে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। কয়েক দিন আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কক্সবাজারে এক সেমিনারে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এসব সুপারিশ করেন তারা। 

সোমবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছে শিক্ষাবিদদের এসব সুপারিশ তুলে ধরেন। এসব সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানান তিনি। এ সময় বিশিষ্ট কয়েকজন শিক্ষাবিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবলিক পরীক্ষার সময় এবং শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে এসএসসি পর্যায়ে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা, চারু ও কারুকলা ও ক্যারিয়ার শিক্ষাকে পাবলিক পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত না করে এগুলোকে বিদ্যালয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা। বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল প্রশ্নের মানোন্নয়নে আইটেম ব্যাংক (নাম পরিবর্তন হতে পারে) করা। ২০১৯ সাল থেকে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া। ২০১২ সালের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার জন্য দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অন্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা। নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকটি বই পরিমার্জন করে আকর্ষণীয় সুখপাঠ্য করা। 
সুপারিশের মধ্যে আরও রয়েছে ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ওই ফলাফলের ভিত্তিতে পরীক্ষামূলকভাবে মানসম্মত করা। বাংলাদেশের পরীক্ষা পদ্ধতি বিশ্বে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য এটা করা হবে। 

সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, এখানে সাধ্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এটাই শেষ কথা নয়। 
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, লেখক ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. আক্তারুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন প্রমুখ।