সিলেবাসে যোগ হচ্ছে ভূমি বিষয়ক বই

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০১৬, ২০:২৮

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

আগামীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যক্রমে (সিলেবাস) ভূমি বিষয়ক বই অর্ন্তভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ।

 

তিনি বলেন, ভূমির সঙ্গে সবার নিবিড় সম্পর্ক। ভূমি বিষয়ক গ্রন্থ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে ফ্যাকাল্টি খুলেছে।

মঙ্গলবার তেজগাঁও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে ডিজিটাল ম্যাপ প্রিন্টিং মেশিন সংক্রান্ত ট্রেনিং প্রোগ্রামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমির সঙ্গে সকলের নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনে বদ্ধপরিকর। তিনি এদেশে গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করার প্রত্যয় নিয়েছেন এবং সে লক্ষ্যেই এগুচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে দ্রুত ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে এর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান ভূমিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চাইতে অনেক কম সময়ে বাংলাদশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা সম্ভব হবে।

এ সময় তিনি ‘ডিজিটাল ম্যাপ মুদ্রণ প্রেস’ এর বোতাম টিপে পাবনা জেলার ডিজিটাল ম্যাপ মুদ্রণ করে এর উদ্বোধন করেন।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ আবদুল আহাদ মুদ্রিত ম্যাপটি মন্ত্রীকে উপহার দেন। ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেস মেশিনটি দ্বারা ভূমি রেকর্ড জরিপ অধিদপ্তরে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিদ্যমান মৌজা ম্যাপসিটসমূহ সংরক্ষণ, পুনঃমুদ্রণ এবং দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত হবে। এ মেশিন পরিচালনা কার্যক্রম হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহণে ৬১ জেলার ১২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রশিক্ষণে অংশ নেন। প্রিন্টিং মেশিনগুলো জেলা সদরগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ডিজিটাল ম্যাপ আর্কাইভ থেকে ইঙ্কজেট প্লটারের মাধ্যমে ভূমির মালিকরা স্বল্প সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মৌজা ম্যাপসিটের মুদ্রণ কপি পাবেন। একেক খতিয়ানের একেকটি ম্যাপ কপি প্রিন্ট পেতে খরচ হিসেবে সরকারি কোষাগারে ৫২০ টাকা জমা দিতে হবে। ম্যাপের সফটওয়্যার জেলা রাজস্ব অফিসে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে থাকবে।