যথাযোগ্য মর্যাদায় শেখ কামালের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০১৬, ১১:০৭

অনলাইন ডেস্ক
ADVERTISEMENT

নানা কর্মসূচিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালন করছে আওয়ামী লীগ, বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ও আবাহনী ক্রীড়া চক্র।

দিনটি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ধানমণ্ডিতে আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়া হয়। পরে বনানী গোরস্তানে শেখ কামালের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিল হয়।

এছাড়া স্বেচ্ছাসেবক লীগ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ভবনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

১৯৪৯ সালের ৫ অগাস্ট তখনকার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে শেখ কামালের জন্ম।

ছেলেবেলা থেকেই খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী শেখ কামাল আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। সেতার বাজাতে পারঙ্গম কামালের হাত ধরেই ‘স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী’ যাত্রা শুরু করেছিল।

১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিব ও তার পরিবারের সদস্যদের।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বাড়ির নিচতলায় কামালকে গুলি করে হত্যা করার পর দোতলায় ওঠার সিঁড়িতে খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। সেদিন ওই বাড়িতে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে।

বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় সে সময় প্রাণে বেঁচে যান।
ঘাতকের গুলিতে নিহত হওয়ার সময় শেখ কামালের বয়স ছিল ২৬ বছর। ওই ঘটনার মাত্র এক মাস আগে অ্যাথলেট সুলতানা খুকুর সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। ১৫ অগাস্ট সুলতানাকেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

শাহীন স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নেন শেখ কামাল।

ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসাবে তিনি ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধে সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

স্বাধীনতার পর শেখ কামাল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ ভর্তি হন।

শেখ কামাল ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য। মৃত্যুর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠন জাতীয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এক বিবৃতিতে শেখ কামালের ৬৭তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।