'জঙ্গি হোতা তামিম-জিয়া ঢাকাতেই'

প্রকাশ | ১২ আগস্ট ২০১৬, ১৬:৩৪

অনলাইন ডেস্ক

যে দুজনকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জঙ্গি কর্মকাণ্ডের হোতা বলা হচ্ছে, সেই তামিম চৌধুরী ও মো. জিয়াউল হক ঢাকাতেই অবস্থান করছেন বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা। ওই দুইজনকে ধরিয়ে দিতে চলতি মাসের শুরুতে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম কার্যালয়ে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমাদের ধারণা, তারা ঢাকাতেই আছেন। আমরাও চেষ্টা করছি এবং অন্য সবার কাছে সহযোগিতা চেয়েছি। ধরিয়ে দিতে পারলে ২০ লাখ টাকা করে পুরস্কারের ঘোষণাও হয়েছে।

এদের মধ্যে বরখাস্ত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হককে ২০১২ সালে সেনাবাহিনীতে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান চেষ্টার পরিকল্পনাকারী বলছে পুলিশ। তিনি জঙ্গি দল আনসার আল ইসলামের হয়ে কাজ করছেন বলে এর আগে মনিরুল রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন। আর কানাডীয় পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিক তামিম চৌধুরীকে ‘আইএস এর বাংলাদেশ শাখার সমন্বয়ক’ বলা হয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক গত ২ অগাস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে তামিম ও জিয়াকে ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেন। সেদিন তিনি বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে আমরা যা পেয়েছি, এখানে মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী। নিও জেএমবির নেতৃত্ব সে দিচ্ছে। এই তামিম চৌধুরীর পর যারা দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রধান তাদেরকেও আমরা চিহ্নিত করেছি। তাদেরকে আমরা গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। “আরেকটা গ্রুপ আছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। সেখানে তদন্তে আমাদের ধারণা হয়েছে, তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়া।

কানাডার উইন্ডসরের বাসিন্দা তামিম ২০১৩ সালের অক্টোবরে দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আসার পর থেকে নিখোঁজ বলে ২ আগস্ট জানিয়েছিলেন মনিরুল। মনিরুল আরও বলেন, গুলশানের ঘটনার পর কল্যাণপুর ছাড়াও বিভিন্ন স্থানের অন্তত দশটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছে পুলিশ।